কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:৪০ PM
কন্টেন্ট: পাতা
বাংলাদেশের শিল্প খাতে ধোলাইখালসহ বিদ্যমান লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরটি দীর্ঘদিন ধরে সনাতন বা পুরোনো প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়ে আসছে। ফলে এর পণ্যের গুণগত মান (Quality) এবং উৎপাদনশীলতা (Productivity) আন্তর্জাতিক মানের না হওয়ায় স্থানীয় বাজারে আমদানিকৃত পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এর পূর্ণাঙ্গ সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল।
একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত কারিগরি ভিত্তি (Base) না থাকায় দেশে কাঙ্ক্ষিত বিদেশি বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। শিল্পখাতের আধুনিকায়নে কম্পিউটার নিউমেরিক্যাল কন্ট্রোল (সিএনসি) মেশিন ও ৪আইআর (4IR) প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। তবে পূর্বে স্থানীয় কিছু উদ্যোক্তা ব্যক্তিগতভাবে সিএনসি মেশিন আমদানি করলেও দক্ষ স্থানীয় অপারেটর এবং রক্ষণাবেক্ষণ বিশেষজ্ঞ না থাকায় উচ্চ বেতনে ভারত বা চীন থেকে বিদেশি এক্সপার্ট হায়ার করতে হতো। এতে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় হাই-টেক প্রযুক্তির ব্যবহার অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক (Economically Feasible) করা সম্ভব হচ্ছিল না।
লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরের এই সংকট, প্রযুক্তিগত ব্যবধান এবং দক্ষ জনবলের ঘাটতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)-এর অধীনে টুল এন্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট (টিটিআই) স্থাপন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। মেটাল ম্যানুফ্যাকচারিং, সিএনসি মেশিনিং, মেটালার্জিক্যাল টেস্টিং ও প্রোটোটাইপিংয়ে উচ্চ প্রযুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে এ ধরনের বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট স্থাপন এটাই প্রথম।