গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০ এ ০৪:১৯ PM
কন্টেন্ট: পাতা
ধোলাইখালসহ বাংলাদেশের বিদ্যমান লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টর পুরাতন টেকনোলজি অনুযায়ী কাজ করছে বিধায় এর কোয়ালিটি এবং উৎপাদনশীলতা আন্তর্জাতিক মানের নয়। ফলে স্থানীয় বাজারসহ আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি স্থানীয় ভাবে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এর বেজ না থাকাতে বিদেশী বিনিয়োগও বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। এই সেক্টরকে উন্নত করতে হলে কম্পিউটার নিউমেরিক্যাল কন্ট্রোল (সিএনসি) মেশিন ব্যবহারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। ইতোমধ্যে কোনো কোনো স্থানীয় উদ্যোক্তা সিএনসি মেশিন আমদানী করে ম্যানুফ্যাকচারীং কাজ করার চেষ্টা করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদেরকে উচ্চ বেতনে ভারত অথবা চীন থেকে অপারেটর হায়ার করতে হচ্ছে এবং রক্ষনাবেক্ষণের জন্য বিদেশ হতে এক্সপার্ট হায়ার করতে হচ্ছে। ফলে সিএনসি মেশিনের মাধ্যমে হাই টেক-টেকনোলজি ব্যবহার ইকোনোমিক্যালি ফিজিবল হচ্ছে না। তাছাড়া পূরাতন প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্য আমদানিকৃত পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কোন মতেই সম্ভব হবে না। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরের এসব অসুবিধা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিটাক টুল এন্ড টেকনোলজি ইন্সটিটিউট প্রকল্প গ্রহন করেছে যাতে করে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরকে বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করা যায়। মেটাল ম্যানুফ্যাকচারীং কাজে উচ্চ প্রযুক্তি ও উচ্চ উৎপাদনশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ ধরনের ইন্সটিটিউট স্থাপন বাংলাদেশে এটাই প্রথম।